Simple Social Image Hover Sharing Plugin for Blogger – Blogspot

Slider

sndrk থেকে নেওয়া থিমের ছবিগুলি. Blogger দ্বারা পরিচালিত.

Video

Article

News

Technology

Life & style

Gallery

Sports

শিক্ষা উদ্যোগ | এনায়েত উল্যাহ হুজুর এর অবদান || ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা (beme)



শিক্ষা উদ্যোগ | মরহুম মাওলানা এনায়েত উল্যাহ হুজুর এর অবদান

মরহুম মাওলানা এনায়েত উল্যাহ হুজুর এর শিক্ষা উদ্যোগ


সবুজ শ্যামল ছায়া ঢাকা একটি গ্রাম ভবানীগঞ্জ। এটি লক্ষ্মীপুর জেলা সদরের দক্ষিণে রহমতখালী নদীর পাশে অবস্থিত। এখানেই জন্মগ্রহণ করেন একজন আলোকিত মানুষ— মাওলানা এনায়েত উল্যাহ। সমাজের দরিদ্র শিশুদের ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য তিনি নিয়েছিলেন এক মহৎ উদ্যোগ।

 

গ্রামের শিশুদের অনেকেই শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত ছিল। তারা হয়তো প্রাথমিক শিক্ষা নিতে পারত না, কিংবা লেখাপড়ার পাশাপাশি পরিশ্রমী হয়ে ওঠার সুযোগ পেত না।

এই বাস্তবতা উপলব্ধি করে মাওলানা এনায়েত উল্যাহ হুজুর ১৯৮৫ খ্রিঃ প্রতিষ্ঠা করেন একটি মাদরাসা। যার নাম ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসা। প্রতিষ্ঠিত হলো। কিন্তু জীবনের পড়ন্ত বিকেলে হঠাৎ এই আলোকিত মানুষটির মনে হলো আমি যখন থাকবনা, তখন এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিকে কে গন্তব্যে পৌছাবে ? কার হাতে এটি পূর্ণতা পাবে  ? ভাবতে ভাবতে চোখের কোনদিয়ে মুক্তদানাগুলো কয়েকফোটা গরম জল হয়ে বেরিয়ে গেল।


আত্নিক এ পেরেশানী রাতে ঘুমোতে দিলোনা এনায়েত উল্যাহ হুজুরকে! কি করবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না। সময়টা ছিলো ২০০২ ইং সনের রামাদান মাস। সকালে ফজরের নামাজ শেষে অনেক ভেবে-চিন্তে জৈষ্ঠ্যপুত্র মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদীকে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করেন এবং দ্রুত বাড়ী আসার জোর তাগিদ দেন। (প্রসঙ্গত- হুজুরের বড় সাহেবজাদা মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী ঐ সময় শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া থানাধীন দারুল ইসলাম মাদরাসায় সুপারিনটেনডেন্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন।) মাওলানা ইসমাইল ঈদুল ফিতরের ছুটিতে বাড়ী আসবেন বলে আশ্বস্ত করেন।

যথা সময়ে মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী বাড়ী আসলে বাবা হুজুর মাওলানা এনায়েত উল্যাহ ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসার বর্তমান হাকীকত ও ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণে পরামর্শ চাইলে নিজের ব্যাক্তিগত মতামত পেশ করেন। কিন্তু বাবা এনায়েত উল্যাহ হুজুর মনে-প্রাণে চাইলেন যেন ছেলে ইসমাইল এ মাদরাসাটির দায়িত্ব নিক। প্রক্ষান্তরে ছেলে বিষয়টি এড়িয়ে যেতে চাইলে স্থানীয় ব্যাক্তি জনাব ইসমাইল মেস্তুরী, জনাব নূরাজ্জামান চৌধুরী, জনাব সফিউল্যাহ. আলী আহমদ আনসার প্রমুখের সামনে জৈষ্ঠ্যপুত্র মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদীকে এ মাদরাসার দায়িত্ব নিতে জোর অসিয়ত করেন।

অনেকটা অনিচ্ছা সত্বেও মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী নিজ চাকুরী ছেড়ে অবশেষে দায়িত্ব পালনে নিয়োজিত হন। একই সাথে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালনার ক্ষেত্রে তিনি স্বাধীনতা চান। এতে বাবা মাওলানা এনায়েত উল্যাহ হুজুর সম্মতি জ্ঞাপন করেন।

একটি কাঁচা টিনের ঘরের মাধ্যমে শুরু হয় ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসা


দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসাকে মঞ্জিলে পৌছাতে কিছু লক্ষ্য ও কর্মপন্থা ঠিক করেন।

ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসার মূল লক্ষ্য—

  • শিক্ষার্থীদের আদর্শিক যুগোপযোগী ও কর্মমূখী শিক্ষা প্রদান করা।
  • শিক্ষার্থীদের মাঝে নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধে গড়ে তোলা।
  • শিক্ষার্থীদের কর্মঠ ও আত্মনির্ভরশীল মানুষ হিসেবে প্রস্তুত করা।

সময় গড়িয়ে যুগ পার হয়ে গেল। মিশন থামেনি। অভাব অনটন, সীমাবদ্ধতা, মানুষের উৎসাহ অনুৎসাহ, সৎকাজে বাধা দেয়ার কিছু মানুষের চেষ্টা, চলছে তাল মিলিয়ে। এরই মধ্যে এসব গ্রাম্য পলিটিক্সে হতাশার মেঘ আর ঝড়ো বাতাসে স্বীয় স্ত্রীর ইন্তেকাল মাওলানা ইসমাইল কিছুসময় রাজধানীতে অবস্থান করেন।

২০১৪ কোন এক সন্ধ্যারাতে হঠাৎ একটি সেলফোনের রিং...। বাবা মাওলানা এনায়েত উল্যাহর ইন্তেকালের খবর। বাড়ী ফেরা আর বাবার রেখে যাওয়া দায়িত্ব। সময়ের স্রোত থামেনি। সব কিছু চললছে আপন গতিতে। মাদরাসাও ঢীমে তালে।

২০২০ পেন্ডামিক সিচুয়েশান। মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী পিতার অসিয়ত পূর্ণ করার কঠিন সিদ্ধান্তে স্বীয় ভ্রাতা হাফেজ মাওলানা আবদুল হককে সাথে নিয়ে জীবনের চলমান অভিজ্ঞতা ও ফ্রেন্ড সার্কেল এবং গ্রামের মানুষের সহায়তা নিয়ে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত শিক্ষাবন্ধব দৃষ্টিনন্দন ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য দীর্ঘ ত্যাগ ও কুরবানী দিয়ে সাফল্যের দরজায় কড়া নাড়েন।



দাঁড়িয়ে যায় এক মনোরম অবকাঠামো। এখনো নির্মানাধীন। কিন্তু শিক্ষা বিস্তার কার্যক্রম থামেনি। চলছে নতুন গন্তব্যে। শিক্ষার পাশাপাশি কর্মমূখী জীবন গঠনে এগিয়ে চলছে ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসা।




মাওলানা এনায়েত উল্যাহ হয়ত নেই! কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া এ মহৎ কাজটি মাথা উঁচু করে মঞ্জিলে পৌছানের রাহে।

 গ্রামের মানুষ আজও কৃতজ্ঞতা ভরে স্মরণ করেন মাওলানা এনায়েত উল্যাহ হুজুরের এই উদ্যোগকে। তার প্রতিষ্ঠিত মাদরাসা শুধু শিক্ষার আলো ছড়ায়নি, বরং সমাজে নতুন প্রজন্মকে দায়িত্বশীল ও সচেতন নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলছে।

 

শেষ কথা-

মাওলানা এনায়েত উল্যাহ হুজুরের এ মহান উদ্যোগ ও মাওলানা মোহাম্মদ ইসমাইল হোসাইন আজাদীর সফল পরিচালনায় এই মহৎ কাজ আজও আমাদের অনুপ্রাণিত করে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য শিক্ষার আলো জ্বালাতে তাঁরা যে বীজ বপন করেছেন, তা আজও ফল দিচ্ছে। এ প্রতিষ্ঠানটি হবে আদর্শ ও কর্মঠ নাগরিক তৈরীর মাধ্যম। মহান আল্লাহ এ কাজটি কবুল করুন। হুজুরের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। ভালো কাজ বেঁচে থাকুন যুগ যুগান্তর।


#ভবানীগঞ্জ_এনায়েতিয়া_মাদরাসা #মাওলানা_এনায়েত_উল্যাহ #মরহুম_মাওলানা_এনায়েত_উল্যাহ #শিক্ষা_উদ্যোগ #মাদরাসার_ইতিহাস #ইসলামী_শিক্ষা #নৈতিক_শিক্ষা #কর্মমুখী_শিক্ষা #শিক্ষা_প্রতিষ্ঠান #ভবানীগঞ্জ #লক্ষ্মীপুর #মাওলানা_ইসমাইল_হোসাইন_আজাদী #এনায়েতিয়া_মাদরাসা #মাদরাসা_প্রতিষ্ঠার_ইতিহাস #শিক্ষার_আলো



শিশুর প্রথম পাঠ হোক কুরআন মাজীদ | মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী



কুরআন মাজীদ হোক শিশুর প্রথম পাঠ

- মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী

 

অনেকে কুরআন মাজীদকে শুধু মুসলিমদের জন্য ব্যাকেট বন্ধী করে ফেলেছেন ! এটা ঠিক নয়। কেননা এ বিশ্বের সৃষ্টি কর্তা মহান আল্লাহ কুরআন প্রেরণ করেছেন সকল মানুষের জন্য। কোন বিশেষ ধর্ম-বর্ণ বা গোত্রের জন্য নয়।

 

শিশু-কিশোরদের সর্বপ্রথম কোরআনের পাঠদান করা উচিত। কোরআনের মাধ্যমে শিক্ষাজীবন শুরু করলে শিশুর জীবন বরকতময় হবে, হতে অত্যন্ত আনন্দময়। শিশু সৃষ্টি কর্তার অনুগ্রহ লাভ করবে। তা ছাড়া অভিজ্ঞতা বলে, শৈশবে শিশুরা অন্য বিষয়ের পাঠ গ্রহণ করতে না পারলেও তারা কোরআন রপ্ত করতে পারে। শৈশবই কোরআন শেখার সর্বোত্তম সময়।

 কেননা শৈশবে শিশুর মন বিক্ষিপ্ত থাকে না, তারা পূর্ণ মনোযোগসহ কোরআন শিখতে পারে। শিশুর জীবনে এর প্রভাবও অত্যন্ত ইতিবাচক। মুসলিম সমাজ ও সভ্যতার ঐতিহ্য হলো শিশুরা কোরআনের পাঠ গ্রহণের মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবন শুরু করবে। কোরআন না শেখা পর্যন্ত অন্যান্য ইসলামী জ্ঞানের পাঠ তাদের দেওয়া হতো না।

  


        ইমাম নববী (রহ.) বলেন, ‘পূর্বসূরি আলেমরা কোরআন মুখস্থ না করা পর্যন্ত কাউকে হাদিস ও ফিকহ শেখাতেন না।’ (আল-মাজমু : /৩৮)

বড় হলে নিজে নিজে কোরআন পড়ে নেবে, এমন চিন্তা থেকে কেউ কেউ শিশুকে কোরআনের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত রাখে। অভিজ্ঞতা বলে, এমন শিশুদের বেশির ভাগই পরবর্তী জীবনে কোরআন শেখার আগ্রহ খুঁজে পায় না। আর কেউ আগ্রহী হলেও কাজটি তাঁর জন্য সহজ থাকে না, কঠিন হয়ে যায়।

 

 

পরবর্তী জীবনে একদিকে যেমন একাগ্রতা থাকে না, নানা কারণে মন বিক্ষিপ্ত থাকে, অন্যদিকে তেমন ক্রমেই মানুষের ব্যস্ত বাড়তে থাকে। সময়-সুযোগ বের করাই সম্ভব হয় না। ঘর, সংসার, আয়-রোজগার বহু চিন্তা মাথায় কাজ করে। এত ঝামেলা এড়িয়ে ব্যক্তির পক্ষে কোরআন পাঠের জন্য সময় বের করা এবং তাতে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয়ে যায়।

পারিপার্শ্বিক কারণে শিশুর মনে যদি কোরআন শেখার ব্যাপারে ভীতি সৃষ্টি হয়, তবে তাদের বোঝাতে আল্লাহ মানুষের জন্য কোরআন শেখা সহজ করেছেন।

 

 

ইরশাদ হয়েছে, ‘কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?’ (সুরা কামার, আয়াত : ১৭)

শুধু কোরআন নয়; বরং আমি বলব সাধারণ শিক্ষার আগে শিশুকে প্রয়োজনীয় দ্বিনি শিক্ষা প্রদান করা উচিত। কেননা শিশুর মানসপটে প্রথমে যে বিষয়ের চিত্র অঙ্কিত হয়, তার প্রভাবই স্থায়ী ও সুদৃঢ় হয়। তাই শিশুকে প্রথমে দ্বিনি শিক্ষা দেওয়া প্রয়োজন। যদি শিশুকে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী শিক্ষা দেওয়া সম্ভব না হয়, তবে কোরআনের কিছু অংশ শিখিয়ে তিলাওয়াত অব্যাহত রাখতে হবে। তারপর কিছু দ্বিনি বই-পুস্তক ও প্রয়োজনী মাসয়ালা-মাসায়েল মাতৃভাষায় হলেও শিক্ষা দিতে হবে। আর এই শিক্ষাটুকু কোনো আলেমের তত্ত্বাবধানে হওয়া উত্তম। কেননা তিনিই প্রয়োজনীয় দ্বিনি শিক্ষার সীমা ও শিক্ষা-সহায়ক বই-পুস্তক নির্ধারণের অধিক যোগ্যতা রাখেন। পাশাপাশি সতর্ক দৃষ্টিও রাখতে হবে। শিশুর ভেতর দ্বিন-পরিপন্থী কোনো বিষয় লক্ষ্য করলে বা ধর্মবিদ্বেষী মনোভাব দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে সতর্ক করতে হবে। যদি মনে হয়, এটা শিক্ষার প্রভাব তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করতেও দেরি করা যাবে না। কেননা আল্লাহ দ্বিনকে দুনিয়ার ওপর প্রাধান্য দিতে বলেছেন।

 

শিশুদের নেক সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে ছোটবেলা থেকেই তার প্রতি যত্নবান হতে হবে। বিশেষত তার মনমানসিকতার প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে। যেন তাদের মন পাপে আসক্ত হয়ে না পড়ে। অনেকে শৈশবে শিশুর অন্যায় আবদারগুলোকে প্রশ্রয় দেয়। যা পরবর্তী সময়ে তাকে সুসন্তান হিসেবে গড়ে তোলার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এ জন্য মা-বাবার ইসলামী শিক্ষার অনুশীলন জরুরি। তাদেরই গুনাহমুক্ত পবিত্র পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবার-পরিজনকে আগুন থেকে রক্ষা করো। (সুরা তাহরিম, আয়াত : ৬)

 

তবে শিশু প্রতিপালনে কঠোরতা পরিবর্তে নম্রতা অনুসরণ করাই বাঞ্ছনীয়। কেননা কঠোরতা শিশুর মন বিগড়ে দিতে পারে। তাদের আনন্দমুখর সুন্দর পরিবেশেই শিক্ষার সঠিক পথটি দেখিয়ে দিতে হবে। স্নেহ-মমতা শিশুকে বেশি প্রভাবিত করে শাসন ও কঠোরতার চেয়ে। আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, ‘রাসুল (সা.) দিনের এক অংশে বের হন, তিনি আমার সঙ্গে কথা বলেননি এবং আমিও তাঁর সঙ্গে কথা বলিনি। অবশেষে তিনি বনু কাইনুকা বাজারে এলেন। (সেখান থেকে ফিরে) ফাতেমা (রা.)-এর ঘরের আঙিনায় বসলেন। অতঃপর বলেন, এখানে খোকা! তথা হাসান আছে কি? এখানে খোকা আছে কি? ফাতেমা (রা.) তাঁকে কিছুক্ষণ সময় দিলেন। আমার ধারণা হলো, তিনি তাঁকে পুঁতির মালা, সোনা-রুপা ছাড়া যা বাচ্চাদের পরানো হতো, পরাচ্ছিলেন (সাজিয়ে দিচ্ছিলেন)। তারপর তিনি দৌড়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরলেন এবং চুমু খেলেন। তখন তিনি বলেন, ‘হে আল্লাহ, তুমি তাকে (হাসানকে) ভালোবাসো এবং তাকে যে ভালোবাসে তাকেও ভালোবাসো। ’ (সহিহ বুখারি, হাদিস : ২১২২)

লেখক- 
মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী

সাংবাদিক ও লেখক
প্রধান শিক্ষক
ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসা।




Text Heare






মৃত্যুর আগাম সংবাদ পূর্বে ৪ জন ফেরেস্তা যেভাবে জানিয়ে দেয় | মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী




মৃত্যুর আগাম সংবাদ পূর্বে ৪ জন ফেরেস্তা যেভাবে জানিয়ে দেয়

-মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী


মৃত্যুর আগাম সংবাদ পূর্বে ৪ জন ফেরেস্তা যেভাবে জানিয়ে দেয়  | মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী

    -মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী


হাদীস শরীফে বর্ণিত আছে, যখন মানুষের অন্তিমকাল উপস্থিত হয় এবং রূহ বের হবার সময় ঘনিয়ে আসে, তখন চারজন ফেরেশতা তার কাছে উপস্থিত হয়।


সর্বপ্রথম এক ফেরেশতা উপস্থিত হয়ে বলবেন “আসসালামু আলাইকুম” হে অমুক! আমি তোমার খাদ্য সংস্থানের কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন পৃথিবীর পূর্ব থেক পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত অন্বেষণ করেও তোমার জন্য এক দানা খাদ্য সংগ্রহ করতে পারলাম না। সুতরাং বুঝলাম তোমার মৃত্যু ঘনিয়ে এসেছে হয়ত এখনই তোমাকে মরণ সুধা পান করতে হবে।পৃথিবীতে তুমি আর বেশীক্ষণ থাকবে না। 



অত:পর দ্বিতীয় ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার পানীয় সরবরাহের জন্য নিযুক্ত ছিলাম, কিন্তু এখন তোমার জন্য পৃথিবীর সবৃত্র অন্বেষণ করেও এক ফোঁটা পানি সংগ্রহ করতে পারলাম না।

সুতরাং আমি বিদায় হলাম।


অত:পর তৃতীয় ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার পদযুগলের তত্ত্বাবধানে নিযুক্ত ছিলাম, কিন্তু পৃথিবীর সর্বত্র ঘুরেও তোমার জন্য একটি মাত্র পদক্ষেপের স্থান পেলাম না। সুতরাং আমি বিদায় নিচ্ছি।


চতুর্থ ফেরেশতা এসে সালাম করে বলবেন হে আল্লাহ বান্দা! আমি তোমার শ্বাস-

প্রস্বাস চালু রাখার কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু আজ পৃথিবীর এমন কোন জায়গা খুঁজে পেলাম না যেখানে গিয়ে তুমি মাত্র এক পলকের জন্য শ্বাস-

প্রশ্বাস গ্রহণ করতে পার। সুতরাং আমি বিদায় নিচ্ছি।


অত:পর কেরামান কাতেবীন ফেরশতাদ্বয় এসে সালাম করে বলবেন, হে আল্লাহর বান্দা! আমরা তোমার পাপ-পূণ্য লেখার কাজে নিযুক্ত ছিলাম। কিন্তু এখন দুনিয়ার সব জায়গা সন্ধান করেও আর কোন পাপ-পূণ্য খুঁজে

পেলাম না। সুতরাং আমরা বিদায় নিচ্ছি। এই বলে তারা এক টুকরা কালো লিপি বের করে দিয়ে বলবেন হে আল্লাহর বান্দা! এর দিকে লক্ষ্য কর। সে দিকে লক্ষ্য করামাত্র তার সর্বাঙ্গে ঘর্মস্রোত প্রবাহিত হবে এবং কেউ যেন ঐ লিপি পড়তে না পারে এজন্য সে ডানে বামে বার বার দেখতে থাকবে। অত:পর কেরাম কাতেবীন প্রস্থান করবেন।



তখনই মালাকুল মউত তার ডান পাশে রহমতের ফেরেশতা এবং বাম পাশে আযাবের ফেরেশতা নিয়ে আগমন করবেন। তাদের মধ্যে কেউ আত্মাকে খুব জোরে টানাটানি করবেন, আবার কেউ অতি শান্তির সাথে আত্মা বের করে আনবেন। কন্ঠ পর্যন্ত আত্মা পৌঁছলে স্বয়ং যমদূত তা কবজ করবেন।


হে আল্লাহ তুমি রাহমানের রহিম, তুমি দয়ালু, তুমি আমাদের সবাইকে খাঁটি মুসলমান না বানিয়ে কবরে নিও না।


(আমিন)


লেখক- 

মাওলানা ইসমাইল হোসাইন আজাদী

সাংবাদিক ও লেখক

প্রধান শিক্ষক

ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসা

সদর-লক্ষ্মীপুর।








তোমাকে ডাকি যদি একবার আল্লাহ - গজল লিরিক্স



তোমাকে ডাকি যদি একবার আল্লাহ

-মাহমুদ আবদুল কাদির

 

লিরিক্স-

__________________________

তোমাকে ডাকি যদি একবার আল্লাহ
আমাকে কাছে টানো বারবার।
যদি পথ ভুলে যাই
আমাকে দিয় ঠাই
 দিও দিশা এ-ই টুকো আবদার
আল্লাহ আমাকে কাছে টানো বারবার।
তোমাকে ডাকি যদি একবার আল্লাহ
আমাকে কাছে টানো বারবার।
আ--- আ---- আ---
 

দুনিয়ার বুকে আমি এক মুসাফির
বুনে যাই প্রতিদিন গোনাহের জ্বাল।
স্বপ্নেরা দল বেঁধে রাতে করে ভীড়
আসবে কি কাংখিত সোনালি সকাল।  (আবার)
হয়ে গেলে পেরেশান
ও আমার রহমান ||
জিকিরে হতে দিয় একাকার আল্লাহ
আমাকে কাছে টানো বারবার।
তোমাকে ডাকি যদি একবার আল্লাহ
আমাকে কাছে টানো বারবার।
আ--- আ---- আ---
 

বিরহের ব্যাথা গুলো বাড়ে প্রতিদিন
তুমি ছাড়া কে-- বলো করে দেবে দূর
তোমার দয়া প্রভু জানি সীমাহীন
ক্বল--বে দাও জ্বেলে  ইমানের নূর। 
বিরহের ব্যাথা গুলো বাড়ে প্রতিদিন
তুমি ছাড়া কে-- বলো করে দেবে দূর
তোমার দয়া প্রভু জানি সীমাহীন
ক্বল--বে দাও জ্বেলে  ইমানের নূর।
বেলা শেষে কেউ নেই
শান্তনা তোমাতেই
তুমি ছাড়া নেই কেউ এ আমার আল্লাহ
আমাকে কাছে টানো বারবার।
তোমাকে ডাকি যদি একবার আল্লাহ
আমাকে কাছে টানো বারবার।
তোমাকে ডাকি যদি একবার আল্লাহ
আমাকে কাছে টানো বারবার।

 






ফন্ট : Li Alinur Boisakh Unicode


ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষার সকল শ্রেণির ফলাফল ২০২৩ PDF


ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষার সকল শ্রেণির ফলাফল ২০২৩ PDF



অত্র ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদ্রাসার ২০২৩ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রছাত্রীদের বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হলো।

আজ সকাল ৯ টায় মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক হযরত মাওলানা মঈন উদ্দিন সাহেব প্রথম শ্রেণী থেকে ষষ্ঠ শ্রেণি পর্যন্ত সকল রেজাল্ট এর কপি যাচাই-বাছাইও বিশ্লেষণ করে চূড়ান্ত ফলাফলের কপি মাদ্রাসার সম্মানিত প্রধান শিক্ষক হযরত মাওলানা ইসমাইল হোসাইন সাহেবের নিকট হস্তান্তর করেন।

চূড়ান্ত ফলাফল এর সিট মাদ্রাসার ফেসবুক পেইজ ওয়েবসাইট এবং ইউটিউবে আজ বিকেল পাঁচটায় প্রকাশিত হলো।

ফলাফল পেতে এই DOWNLOAD বাটনে ক্লিক করুন- 








ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষার সকল শ্রেণির ফলাফল ২০২৩




ভবানীগঞ্জ এনায়েতিয়া মাদরাসার বার্ষিক পরীক্ষার সকল শ্রেণির ফলাফল ২০২৩

নুরানী শিশু শ্রেণি-
প্রথম শ্রেণি-১-

প্রথম শ্রেণি -২


দ্বিতীয় শ্রেণি ১

দ্বিতীয় শ্রেণি-২

তৃতীয় শ্রেণি

চতূর্থ শ্রেণি

পঞ্চম শ্রেণি
















স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা নীতিমালা ২০১৮


স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদরাসা নীতিমালা ২০১৮

Sotontra Ebtedaee Madrasah Policy 2018




ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন-   Download








Ramadaan New Song Alamgir H Khan













Ramadaan New Song










مغني جديد في الأغنية القديمة - رَمَضان نشيد Ekti bochor Pore Abar (Ramadaan Song) Bangla Islamic Song | Ismail H Khan

مغني جديد في الأغنية القديمة  - رَمَضان نشيد



Ekti bochor Pore Abar (Ramadaan Song) Bangla Islamic Song - Ismail H Khan




Photo Gallery of Bhowanigonj Enayetia Madrasah




Photo Gallery of Bhowanigonj Enayetia Madrasah
Institute

Classroom

Students are delighted to find new books

District Education Officer visited Madrasa






Donate to Bhabaniganj Enayetiya Madrasah to provide helpless services




Dearest Brothers and Sister,
Assalamu Alaikum.

There are helpless service funds in South Bhabaniganj Enayetia Madrasa.
Through this financial support is provided to many meritorious and poor students.
The source of the fund's only income is the donation given to you.
In addition to the work of overall development of Madrasa, in your favor, poor helpless people were helped.







There is a zakat fund in this madrasa. You can pay Zakat for the poor students of these madrassas.

 The education life of 150 students of your donation will be enlightened in this sector. The role of the country's ideal citizens is immense.

Donate Address: Islami Bank Bangladesh Limited, Lakshmipur Branch, Account No. 26921

Or

Please enter this number- +88 01726-520330




Best Regards,
Muhammad Ismail Hossain Khan
Head teachers and secretaries
Bhabaniganj Enayetiya Ibtadei Madrasa
Bhowanigonj, Sadar-Lakshmipur,
Post Code-3702, Bangladesh.
Contact No- +88 01726-520330